Friday, June 15, 2012

ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ


ইন্টারনেটে ট্রেনের টিকেট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট
ট্রেনের টিকেট সংগ্রহ করা যেতে পারে রেল স্টেশনের বুথ থেকে। ঢাকা এবং আশেপাশের রেল স্টেশনগুলো হল নারায়ণগঞ্জ, গেন্ডারিয়া, কমলাপুর, তেজগাঁও, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, টঙ্গী এবং জয়দেবপুর। এর মধ্যে নারায়ণঞ্জ এবং গেন্ডারিয়া রেল স্টেশন ছাড়া অন্য রেল স্টেশনগুলোয় কম্পিউটারাইজড ডাটাবেস নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে টিকেট বিক্রি করা হয়। ফলে যেকোন গন্তব্যের টিকেট কাটা যায় এসব স্টেশন থেকে।
বুথগুলোয় সাধারণত ভিড় লেগেই থাকে। ভিড় এড়ানোর জন্য ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহ করা যায় এখন। মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংক এবং গ্রামীনফোনের গ্রাহকগণ নিজের মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই টিকেট সংগ্রহ করতে পারেন। কিংবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন কোম্পানীর গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে যে কেউ টিকেট সংগ্রহ করতে পারে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর একটি নম্বর এসএমএস আকারে গ্রাহকের মোবাইল ফোনে পৌঁছে যায়। এটি দেখিয়ে ভ্রমণের আগে ফোন কোম্পানীর গ্রাহক সেবা কেন্দ্র বা রেল স্টেশন থেকে প্রিন্ট আউট নিতে হয়।
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে টিকেট সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যেতে পারে রেলওয়ের ওয়েবসাইট বা সংশ্লিষ্ট ফোন কোম্পানীর ওয়েব সাইট থেকে।
ওয়েবসাইট
বাংলাদেশ রেলওয়ে- www.railway.gov.bd
বাংলালিংক- www.banglalinkgsm.com
গ্রামীনফোন- www.grameenphone.com

ইন্টারনেটে ট্রেনের টিকেট

সম্প্রতি ইন্টারনেটে ট্রেনের টিকেট কাটার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে স্বল্প পরিসরে এ ব্যবস্থা চালু করা হলেও শীঘ্রই এ সেবা বিস্তৃত করা হবে বলে জানাচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ।

ইন্টারনেটে টিকেট কাটতে হলে প্রথমে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে  হবে। এরপর ই-মেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। তারপর নির্ধারিত গন্তব্যের টিকেট বেছে নিয়ে ভিসা বা মাস্টারকার্ড সমর্থিত ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করার পর গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়ে দেয়া হবে। এটির প্রিন্ট নিয়ে ট্রেন ছাড়ার ১৫ মিনিট আগে স্টেশনে উপস্থিত হতে হবে; ২০ টাকা অতিরিক্ত মাশুল দিতে হবে এজন্য।

টিকেট কাটার বিস্তারিত:

রেলওয়ের ওয়েবসাইটে (www.railway.gov.bd) গিয়ে ‘পারচেজ ই টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:



নতুন ব্যবহারকারী হলে ‘সাইন আপ’-এ ক্লিক করতে হবে।  এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:



প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরমটি পুরণ করতে হবে। সঠিকভাবে ফরমটি পূরণ করা হলে গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় একটি এক্টিভেশন লিংঙ্ক পাঠানো হবে। যেটির চিত্র অনেকটা এরকম:



এই এক্টিভেশন লিংকে ক্লিক করার পরই কেবল গ্রাহকের একাউন্ট চালু হবে।

এরপর আবার রেলওয়ের ওয়েবসাইট (www.railway.gov.bd) এ গিয়ে ‘পারচেজ ই টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এখানে ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোড দিয়ে নিজের একাউন্টে প্রবেশ করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:



এখান থেকে ‘পারচেজ টিকেট’-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:



এখানে ড্রপ ডাউন বক্সগুলো থেকে  নির্বাচন কাজ সম্পন্ন করে ‘সার্চ’ বোতামে ক্লিক করতে হবে। আসন খালি থাকলে টিকেটের মূল্য এবং সার্ভিস চার্জ জানিয়ে সম্মতি চাওয়া হবে। সম্মতি দেবার পর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:



ভিসা, মাস্টার কার্ড বা ব্র্যাক ব্যাংক এই তিন ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকেটের মূল্য পরিশোধ করা যায়। এখান থেকে প্রয়োজনীয় পদ্ধতি বেছে নেবার পর এরকম একটি পৃষ্ঠা পাওয়া যাবে:



এবার কার্ডের তথ্য দিয়ে টিকেট কাটার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠিয়ে দেয়া হবে। এরপর গ্রাহককে সেটির প্রিন্ট কপি, মোবাইল ফোন (যে নম্বরটি তার একাউন্টে দেয়া আছে), ক্রেডিট কার্ড (যেটি ব্যবহার করে টিকেট কেনা হয়েছে) ইত্যাদি প্রদর্শন করে যাত্রার ১৫ মিনিট আগে টিকেটের মূল কপি সংগ্রহ করতে হবে।

অন্যান্য তথ্য:
  • প্রাথমিকভাবে কেবল বাংলাদেশী নাগরিকগণ ইন্টারনেটে টিকেট কাটার সুবিধা পাচ্ছেন।
  • একজন ব্যক্তি একসাথে সর্বোচ্চ চারটি টিকেট কাটতে পারেন।
  • যাত্রার সর্বোচ্চ তিন দিন আগের টিকেট কাটা সম্ভব।
  • ইন্টারনেটে টিকেট কাটার জন্য ২০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হয়।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ট্রেনের টিকেট কাটা
ঢাকার বাসিন্দারা কমলাপুর এবং এয়ারপোর্ট রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া যেকোন ট্রেনের কাটতে পারেন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। একটি নম্বর থেকে এক দিনে কেবল একটি টিকেট কাটা যায় আর এক টিকেটে সর্বোচ্চ ৪ জনের টিকেট কাটা যায়। অগ্রীম টিকেট কাটা যায় তবে সর্বোচ্চ ৯ দিন আগের টিকেট কাটা যায়। প্রতি সিটের জন্য ভ্যাটসহ ২০ টাকা চার্জ দিতে হয়। গ্রাহক সেবা কেন্দ্র থেকে টিকেট কাটার জন্য যে স্টেশন থেকে যাত্রা করা হবে সে স্টেশনের নাম, গন্তব্যে স্টেশন, যাত্রার তারিখ, ভ্রমণ শ্রেণী, টিকেটের সংখ্যা, ভ্রমণকারীর ফোন নম্বর  ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হয়।
গ্রাহক নিজে টিকেট সংগ্রহ করতে চাইলে আগে তাকে গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় অংকের টিকেট ব্যালেন্স নিতে হয় বা ওয়ালেট রিফিল করতে হয়। ওয়ালেট রিফিল কনফার্ম করার জন্য yes এর পর একটি স্পেস দিয়ে কাস্টমার পিন লিখে 480 নম্বরে sms পাঠাতে হয়।
যেমন- yes <space> 2468.
2468 এক্ষেত্রে কাস্টমার পিন।
টিকেট কাটার জন্য
*131# ডায়াল করতে হয় এরপর পিন নম্বর চাইলে পিন নম্বর দেয়ার পর ‘1’ চেপে টিকেট কাটার অপশন নির্বাচন করতে হবে। তারপর ভ্রমন তারিখ জানতে চাইবে। ভ্রমন তারিখ দেবার পর যে স্টেশন থেকে যাত্রা করা হবে সেটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর গন্তব্য স্টেশন জানতে চাইবে। গন্তব্য স্টেশনের প্রথম তিন অক্ষর টাইপ করতে হবে। গন্তব্য স্টেশন নির্বাচন করার পর ঐ তিন অদ্যক্ষরের স্টেশনগুলোর একটি তালিকা পাওয়া যাবে। সেখান থেকে স্টেশন নির্বাচন করতে হবে। যেমন- chi দিলে Chittagong এবং chisti_road পাওয়া যাবে। স্টেশন নির্বাচন করার পর ট্রেনের একটি তালিকা পাওয়া যাবে। সেখান থেকে ট্রেন নির্বাচন করতে হবে। এরপর কোন শ্রেনীতে ভ্রমণ করা হবে সেটি নির্বাচন করতে হবে। তার পর একটি তালিকা পাওয়া যাবে। সেখান থেকে পুরুষ, মহিলা, শিশু এবং যাত্রী সংখ্যা নির্বাচন করতে হয়। এরপর টিকেটের মূল্য জানিয়ে নিশ্চিত করনের জন্য একটি মেন্যু আসবে। সেখান থেকে নিশ্চিতকরনের পর পিন নম্বর প্রদান করতে হয়। তারপর txnid পাওয়া যাবে। সেটি দেখিয়ে প্রিন্ট আউট নিতে হয়।
বাংলালিংক সেন্টারসমূহের ঠিকানা-
 Bangla Link Centers Address & Contact Person Detail Sl Name Region Address Contract Person
01 Gulshan Dhaka Banglalink Center 153/A, North Gulshan Avenue Rang Arceview Nazneen Akter,
02 Motijheel Dhaka Banglalink Center 21, Humayon Cort
Motijheel,C/A
Mahmud Hasan
03 Mirpur Dhaka m.k.Plus 38/1, Khalil Bhaban (1st floor), mirpur-1 (Circle), Dhaka Fazle Mohamen
04 Dhanmandi Dhaka Green tone ltd 32/2, Oreintal latimicente (1st floor), oppositeof Dhaka college teachers training college Mirpur road, Dhaka-1205 Mohammad Parvez Sazzad
05 Uttara Dhaka j.n. distribution RajukcoSmoshopping Complex Plot 19-20 Sec 7, Azampur Uttara, Dhaka Zakir Mahmud Zaki,

গ্রামীন ফোন সেন্টারসমূহের ঠিকানা
 Grameenphone Centers Address & Contact Person Detail Sl Name Region Address Contract Person
1 GPC Mirpur Dhaka Grameenphone Center,Rabiul Plaza,PlotNo-Shee1/Kha Section-1,Mirpur,Dhaka-1216 Md.tareq Hossain
2 GPCMotijhil Dhaka Grameenphone Center ,City Center Building(1st Floor)103Motijheel
C/A(Plot;5/A)Dhaka-1000
Syeda Ursya
3 GPC Gulshan Dhaka Grameenphone Center House-Ces(A)1A,Road-113,GulshanAvenue,Dhaka-1212 Aly Imam
4 GPC Farmgate Dhaka Grameenphone Center,71,Kazi Nazrul Islam Avenue,Farmgate.Dhaka Zaiyed Mahmud
5 GPC Dhanmandi Dhaka Grameen Phone Center,House-38/2,Road=16(new)27(old)Dhanmondi Md.Abu Al Kamrun Biswas

এলসি খোলা এবং লোন

এলসি খোলা এবং লোন
 
 
বিদেশ থেকে পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানী করার জন্য অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হয় । এই এলসির মাধ্যমেই সরবরাহকারীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি রপ্তানি করে থাকে।

এলসির পূর্ব ও পরবর্তী করণীয়
ব্যাংকে অবশ্যই নিজস্ব কোম্পানীর একাউন্ট থাকতে হবে। পণ্য বা যন্ত্রাংশ সরবরাহকারীর নিকট থেকে পি আই /প্রোফরমা ইনভয়েজ আনতে হবে। পি আই/প্রোফরমা ইনভয়েজ –এ পণ্য বা যন্ত্রাংশের মূল্য, পরিমাণ ও শর্তাবলী উল্লেখ থাকে। পি আই/প্রোফরমা ইনভয়েজ – এর কাগজ কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক / পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষর ও সীল প্রদান পূর্বক যে ব্যাংকে একাউন্ট রয়েছে সেখানে জমা দিতে হবে। পি আই/প্রোফরমা ইনভয়েজ এর কাগজ পাওয়ার পর ব্যাংক থেকে ৬টা ফরম প্রদান করে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক / পরিচালক কর্তৃক স্বাক্ষর ও সীল প্রদান সাপেক্ষে ফরম ৬টি এবং এলসি মার্জিনের সর্বনিম্ন শতকরা ২০ ভাগ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ ভাগ অর্থ পরিশোধ করতে হয়। নিজ দায়িত্বে অথবা ব্যাংকের সহায়তায় আমদানীকৃত পণ্য/যন্ত্রাংশের বীমা করতে হয়। বীমা ও ব্যাংকের কাগজপত্র সরবরাহকারীর নিকট পাঠালে সে পণ্য বা যন্ত্রাংশ সমুদ্র/সড়ক পথে প্রেরণ করে। স্থল/সমুদ্র বন্দরে পণ্য/যন্ত্রাংশ পৌঁছানোর পর এলসি–এর  বাকী অর্থ ব্যাংকে পরিশোধ করতে হয়। এরপর ব্যাংক এন ও সি  এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদান করে। এই এন ও সি  এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কোম্পানী মনোনীত সি এন্ড এফ এজেন্টের মাধ্যমে স্থল/সমুদ্র বন্দরের শুল্ক বিভাগে প্রদর্শন ও অন্যান্য কার্যাবলী সম্পাদন করে পণ্য বা যন্ত্রাংশ খালাস করতে হয়। 

Thursday, June 7, 2012

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

পর্ব :


আগের পর্বে ডোমেইন নিয়ে অনেক কথা বলেছি। হয়তো অনেকে বিরক্ত হয়েছেন, আবার অসেকে ভেবেছেন যে SEO এর সাথে আবার ডোমেইন এর কি সম্পর্ক? আমি তাদের জন্য বলেছি, দয়া করে আমার পোষ্টটি ভাল করে পড়ুন, আশা করি বুঝতে পারবেন। আপনার সাইটে একবার ভিজিটর আসল কিন্তু সে আপনার সাইটের নামটি মনেই রাখতে পারল না বা কাউকে আপনার সাইটের নামটি দিতে গিয়ে কনফিউজড হয়ে পড়ল.. তখন আপনার সাইটের সার্থকতা কোথায়? আমি মনে করি বন্ধুরা যখন একে অপরের সাথে কোন ওয়েব সাইটের তথ্য বা নাম শেয়ার করে, সেটাও এক ধরনের SEO. আসলে যারা SEO করে টাকা উপার্জন করতে চাইবেন, তাদের জন্য এটা কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়…. কিন্তু যারা ওয়েবমাষ্টার বা সাইট ঔনার (owner) তাদের জন্য এটা অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয়।
যাইহোক, আমি পরের পর্ব শুরু করছি। কারও প্রয়োজন হলে বা কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে কমেন্টস এর মাধ্যমে জানাবেন।


২। ভাল এবং ফাস্ট একটি ওয়েব সার্ভারঃ

একটি ওয়েব সাইটের জন্য ভাল এবং ফাস্ট ওয়েব সার্ভার এর খুবই প্রয়োজন। কেননা, আপনার সাইটি যদি স্লো হয় তহলে আপনার সইটের কন্টেট যতই ভাল হোক, ইউজার আপনার সাইটের উপর বিরক্ত হবে। আবার ভাল ওয়েব সার্ভার না হলে, সাইট ডাউন থাকলেও ইউজর পাবেননা। এমনকি যখন সার্চ ইঞ্জিন এর বট গুলো আপনার সাইটকে সার্ভে করতে আসবে এবং দেখবে যে আপনার সাইটটি ডাউন তখন সে আপনার সাইটকে তার লিস্টে অর্ন্তভূক্ত করতে পারবে না। সুতরাং আপনার সাইটের Ranking কমতে থাকবে।

৩। সঠিক ভাবে ওয়েব সাইটের টাইটেল ও মেটা ট্যাগিং :

টাইটেলঃ

আপনার সাইটটি যেই শিরোনাম দিয়ে সার্চ ইঞ্জিন এ প্রদর্শন করে চান ঠিক সেই শিরোনাম ই সাইটের টাইটেল এ লিখুন। যেমন http://yahoo.com যদি আপনার ডোমেইন হয় এবং আপনি যদি চান সার্চ ইঞ্জিন এ Yahoo লিখে সার্চ দিলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটের টাইটেল “Yahoo!” প্রদর্শন করবে {চিত্রঃ ১}, তবে আপনি সাইটের <title></title> সেকশন এ “Yahoo!” লিখুন। ঠিক এই ভাবে <title>Yahoo!</title> {চিত্রঃ ২}

চিত্রঃ ১

12 SEO GURU – পর্ব ৩

চিত্রঃ ২


মেটা ট্যাগিং:
মেটা ট্যাগ ওয়েবসাইটের হেড সেকশনের মাঝে থাকে। এর মাঝে ওয়েবসাইট বা কোন নিদির্ষ্ট পেজ এর বর্ণনা দেয়া থাকে। দেয়া থাকে নির্দিষ্ট কিছু কীওর্য়াড যার দ্বারা সার্চ ইঞ্জিনএ সার্চ দিয়ে পাওয়া যায়। এছাড়াও ওয়েব সাইটের ঔনার এর নাম, কোন ক্যারেক্টার (CHARSET) দিয়ে করা হয়েছে তা, সার্চ ইঞ্জিন কি ফলো করবে, কি করবে না .. সেই সবও দেয়া থাকে।
নিচে দুইটি ছবির {চিত্রঃ ৩ ও ৪} মাধ্যমে http://www.seoconsultants.com এই ওয়েব সাইটির মেটা ট্যাগ ও তার ফলাফল প্রদর্শন করলাম।

চিত্রঃ ৩

3 SEO GURU – পর্ব ৩

চিত্রঃ ৪

4 SEO GURU – পর্ব ৩

সুতরাং আপনার ওয়েব সাইটকে কি দিয়ে সার্চ করলে পাওয়া যাবে সেই সব কীওয়ার্ড গুলো হেড এর কীওয়ার্ড সেকশন ও লিখতে হবে।
<meta name="keywords" content="keyword, meta tag, meta keyword, demo page" />
সেই সার্চের ফলে আপনার ওয়েব সাইটের টাইটেল এ কী বর্ননা প্রদর্শিত হবে তা টাইটেল ও ডিসক্রিপশন সেকশন এ লিখতে হবে।
<title>Welcome Alshe Dupur Website</title>
<meta name="description" content="This is my personal website. You can find my information from here." />
ওয়েবসাইটটি কোন ভাষায় তা সার্চইঞ্জিন কে জানিয়ে দেয়ার জন্য নিচের ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়।
<meta http-equiv="content-language" content="en">
এখানে content=”en” মানে হল ওয়েব সাইটি ইংরেজীতে তৈরী। বাংলা হলে এটি হতো
<meta http-equiv="content-language" content="bn">
যারা সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য robot.txt ফাইল ওয়েব সার্ভারে আপলোড করেনা, তারা ইচ্ছে করলে সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে তার ওয়েব সাইটি লিস্টেড হওয়ার জন্য মেটা ট্যাগ ব্যবহার করতে পারে। নিচে তার উদাহরন দেয়া হল।

সাধারন সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ

<meta name="robots" content="noindex, nofollow">
গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ
<meta name="googlebot" content="noindex, nofollow, noarchive">
MSN/Bing সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য মেটা ট্যাগঃ
<meta name="msnbot" content="noindex, nofollow">
এখন কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য দেই। যখন কোন ওয়েবসাইটের SEO করা শুরু করবেন তখন এই তথ্যগুলো খুবই কাজে দেবে। এগুলো টাইটেল, কীওয়ার্ড ও ডিসক্রিপশন এর। বিশাল একটা টাইটেল বা অনেক বড় একটা ডিসক্রিপশন বা অনেকগুলো হিজিবিজি কীওয়ার্ড দিলেই হবে না। মেটা ট্যাগ এ শুধু মাত্র এরয়বসাইটের সাথে সমঞ্জস্যপূন্য ডিসক্রিপশন ও কীওয়ার্ড ও টাইটেল দিন। এগুলোর ম্যক্সিমাম একটা লেনন্থ আছে।নিচে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এর ম্যক্সিমাম লেনন্থ দিলাম।
Google এর জন্য ম্যক্সিমাম লেনন্থঃ
টাইটেলে গুগল (Google) স্পেস সহ ম্যক্সিমাম ৬৯ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে এবং ডিসক্রিপশনে স্পেস সহ সবোর্চ্চ  ১৫৬ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে।
google title description length SEO GURU – পর্ব ৩
BING/MSN এর জন্য ম্যক্সিমাম লেনন্থঃ
বিং বা এমএসএন (Bing/MSN)স্পেস সহ ম্যক্সিমাম ৬৫ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে এবং ডিসক্রিপশনে স্পেস সহ সবোর্চ্চ  ১৫০ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে।
bing title description length SEO GURU – পর্ব ৩
Yahoo! এর জন্য ম্যক্সিমাম লেনন্থঃ
ইয়াহু (Yahoo) স্পেস সহ ম্যক্সিমাম ৭২ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে এবং ডিসক্রিপশনে স্পেস সহ সবোর্চ্চ  ১৬১ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে।
yahoo title description length SEO GURU – পর্ব ৩
Ask এর জন্য ম্যক্সিমাম লেনন্থঃ
Ask স্পেস সহ ম্যক্সিমাম ৬৯ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে এবং ডিসক্রিপশনে স্পেস সহ সবোর্চ্চ ৩১২ টি ওয়ার্ড শো করতে পারে।
ask title description length SEO GURU – পর্ব ৩
সুতরাং যেহেতু ভিন্ন ভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য ভিন্ন ভিন্ন সাইট বানানো সম্ভব নয় সেহেতু SEO করার আগে সব সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য স্টান্ড্যার্ড এমন লেনন্থ সিলেক্ট করুন।
আজ এ পর্যান্তই। পরের পর্ব দিতে কয়েকদিন দেরী হতে পারে। আশা করি সাথেই থাকবেন।ভালো থাকবেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

সূচনাঃ

অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম SEO নিয়ে পোষ্ট করি যাতে যারা ওয়েব মাষ্টার বা SEO করে উপার্জন করতে চান তারা যেন একটু উপকৃত হন। অনেকেই SEO নিয়ে অনেক ধরনের পোষ্ট লিখেন, কিন্তু কোন পোষ্টই ততটা পরিপূর্ণ নয়। এটা ঠিক যে সবাই সব ট্রিকস জানেন না। আমি যতটা সম্ভব এই পোষ্টের মাধ্যেমে সহজ ভাষায় এবং যত বিস্তারিত সম্ভব পোষ্ট করব। মাঝে মাঝে টিউন করতে দেরী হতে পারে। সেই জন্য আগেই ক্ষমা প্রাথনা করছি। আর হা… টিউনার পেজ এ এটিই আমার প্রথম টিউন।

SEO কি ?

SEO শব্দের অর্থ হল Search Engine Optimize . আমি সহজ বাংলায় আমার নিজের মত করে বলি, SEO হল এমন একটা কায়দা.. যে কায়দাতে সার্চ ইঞ্জিন কে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটকে, ঐ ওয়েবসাইটের কয়েকটি নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড দ্বারা পরিচয় করিয়ে দেয়া। যাতে পরে কোন ভিজিটর ঐ ধরনের কোন কীওয়ার্ড সার্চ ইঞ্জিনে লিখে সার্চ দিলে.. সার্চ ইঞ্জিন ঐ নিদির্ষ্ট ওয়েবসাইটাকে ভিজিটরকে প্রদান করবে।

Sunday, April 15, 2012

আসুন জানি আরো কিছু ….

প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার

altair.png
প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার অ্যালটেয়ার -৮৮০০ এটি তৈরি করেন মাইক্রো ইনস্ট্রমেন্টেশন অ্যান্ড টেলিমেট্রি সিস্টেমস কোম্পানি।

Sunday, February 12, 2012

আওয়ামীলীগ এমন একটা মেশিন , এই মেশিনে ঢুকলে রাজাকার ও মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যায়

১। লিয়াকত আলী -হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি


লিয়াকত আলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হয়েছে। হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী হচ্ছেন লাখাই কৃষ্ণপুর গ্রামের হরিদাস রায়। মামলায় ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রোববার ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে প্রধান আসামী লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে পাক বাহিনী উপজেলার কৃষ্ণপুর, গদাইনগর ও চণ্ডিপুর গ্রামে ১২৭ জনকে হত্যা করে। আরজিতে শহীদ ৪৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।


২।আকবর আলীর -বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি


মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আকবর আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হয়েছে। আকবর আলী কিছুদিন আগেও আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।